চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো বিদেশি কোম্পানির চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে করে যাওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ (রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, কতিপয় গোষ্ঠী চট্টগ্রাম বন্দরকে অচল করে তাদের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে।
নৌ উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল করতে সরকার হার্ড লাইনে যাবে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যারাই বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ধর্মঘটের ফলে নিত্যপণ্যের ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে। আর কয়েকদিন পরে রোজা। আমরা প্রতিনিয়ত নদীতে অভিযান চালাচ্ছি। বহির্নোঙরে পড়ে আছে ছোলা, ডাল ও তেল। ১৮ কোটি মানুষকে তারা (ধর্মঘটকারীরা) জিম্মি করেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না। সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও ধরা হবে।’
উপদেষ্টা আরও স্পষ্ট করেন যে, গুরুত্বপূর্ণ পণ্যবাহী জাহাজগুলো বহির্নোঙরে আটকে থাকার ফলে আসন্ন রমজানের বাজার পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জনস্বার্থে বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকার দ্বিধা করবে না।
উল্লেখ্য, বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চার দফা দাবিতে বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য শুরু হয় শ্রমিক ধর্মঘট।
