ভাড়া কমানোর পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। একই সঙ্গে ট্রলার ভাড়াও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানায়, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ১১ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ রুটে স্পিডবোটের ভাড়া জনপ্রতি ২৬০ টাকা নির্ধারণ করে। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ছন্দা পাল। এর আগে মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া ছিল ২৫০ টাকা। তবে গত ২০ এপ্রিল থেকে ইজারাদার পক্ষ জনপ্রতি ৩০০ টাকা হারে ভাড়া আদায় করে আসছিল। ভাড়া কমিয়ে ২৬০ টাকা নির্ধারণ করায় লোকসানের আশঙ্কার কথা বলে মঙ্গলবার সকাল থেকে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেয় ইজারাদার কর্তৃপক্ষ।
এদিকে একই রুটে ট্রলার ভাড়াও ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। হঠাৎ স্পিডবোট বন্ধ ও ট্রলার ভাড়া বৃদ্ধিতে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও ভোগান্তি বেড়েছে।
কুমিরা ঘাটে অপেক্ষামান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহাদ চৌধুরী বলেন, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর কাঠের একটি সার্ভিস বোটে ১২০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ভাড়া নিয়ে যাত্রী তোলা হয়।
ইজারাদার জগলুল হোসেন নয়ন বলেন, দেশের অন্যান্য নৌরুটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ রুটের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়নি। ভাড়ায় পরিচালনা করলে আমাকে লোকসান গুনতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক নয়ন শীল বলেন, মন্ত্রণালয় নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। বর্তমানে সন্দ্বীপ-সীতাকুণ্ড রুটে সি-ট্রাক ও জাহাজ চলাচল করছে। আশা করছি যাত্রীদের যাতায়াতে বড় ধরনের সমস্যা হবে না।
