পেশাদারত্ব রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনে শূন্য সহনশীলতার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম। গতকাল রবিবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।
সভায় পুলিশ সুপার বলেন, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর অঞ্চল। এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জেলা পুলিশের প্রধান অগ্রাধিকার। পুলিশি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ‘টিম চট্টগ্রাম’ হিসেবে আমরা কাজ শুরু করেছি।
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মধ্যে আরেকটা দেশ সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ নেই। জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে। এখনও দুটি পুলিশ ক্যাম্প আছে। সুতরাং অপরাধীরা কোনো সুযোগ এখানে আর পাবে না।
রাউজানে হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, চট্টগ্রাম নগরের কয়েকটি টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় প্রায়ই রাউজানের নাম উঠে আসে। আবার রাউজানের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলে পাহাড়ি এলাকা থেকে অপরাধীরা আসে বলেও তথ্য পাওয়া যায়। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে এখানে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশের কাছে এমন তথ্যও রয়েছে যে নগরে সংঘটিত কিছু অপরাধের পেছনে রাউজানকেন্দ্রিক গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তিনি বলেন, রাউজানে সন্ত্রাস ও টার্গেট কিলিং ঠেকাতে সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বড় ধরনের অভিযান চালানো হবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ট্রাফিক জ্যাম, মাদক ব্যবসা এবং স্থানীয় নানা সমস্যার কথা পুলিশ সুপারের সামনে তুলে ধরেন। নবাগত এসপি সবার বক্তব্য শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
