back to top

রাউজানের লাম্বুরহাটের সওদাগরপাড়া বর্ণাঢ্য আয়োজনে জশনে জুলুস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৭
[photo_card_and_fontsize]

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে এবং ১২ ই রবিউল আউয়াল নগরীতে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য জশনে জুলুসকে স্বাগত জানিয়ে রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের লাম্বুরহাটের সওদাগরপাড়ার বর্ণাঢ্য আয়োজনে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। হামদ-নাত, দরূদ শরীফ পরিবেশন এবং তৌহিদ ও রিসালাতের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। জশনে জুলুসকে ঘিরে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-যুবক ও বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের লাম্বুরহাট সওদাগরপাড়া থেকে জশনে জুলুসটি বের হয়। হযরত মোবারক আলী শাহ (রহ.) স্মৃতি সংসদ ও বাগোয়ান ছাত্র সংসদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ জুলুস তেলিয়াপুকুর পাড় জামে মসজিদ গেইট থেকে শুরু হয়ে পাঁচখাইন, চৌধুরীহাট ও নোয়াপাড়া পথেরহাট হয়ে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পাহাড়তলী হাফেজ বজলুল রহমান সড়ক হয়ে পুনরায় মসজিদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
জুলুসে অংশগ্রহণকারীরা হামদ-নাত ও দরূদ শরীফ পাঠের পাশাপাশি তৌহিদ ও রিসালাতের স্লোগানে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-যুবক ও বয়োজ্যেষ্ঠরা নতুন পোশাক পরিধান করে ও খুশবু লাগিয়ে এতে অংশ নেন। শতাধিক মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও পিকআপে করে অনেকে জুলুসে যোগ দেন। পাশাপাশি লাম্বুরহাট, পথেরহাট ও পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় অনেকে পায়ে হেঁটেও জশনে জুলুসে অংশ নেন।
জুলুস চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ঈদের আমেজ বিরাজ করে। পুরো এলাকা সাজানো হয় নানা রঙের সাজসজ্জায়। এ সময় বিভিন্ন বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে লাম্বুরহাটসহ আশপাশের এলাকা হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।
জুলুসের আগে পারভেজ মন্টু, মো. ইব্রাহীম, মো. সাদ্দাম হোসেন ও মো. মামুনের যৌথ পরিচালনায় এক মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান হারুনী। বক্তব্য দেন মো. নজরুল ইসলাম, মো. নাজিম উদ্দীন, নুরুল ইসলাম লেদু ও শিক্ষক মো. শাহেদ।
মাহফিলে মিলাদ ও কিয়াম পরিচালনা করেন মাওলানা নুরুল আজিম ও মাওলানা আতাউল বারী। মিলাদ ও কিয়ামের মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় এবং বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করা হয়।
জশনে জুলুসে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, হযরত মোবারক আলী শাহ (রহ.) স্মৃতি সংসদ ও বাগোয়ান ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মসজিদ প্রাঙ্গণে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তবররুক বিতরণের মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য এ জশনে জুলুসের সমাপ্তি ঘটে।