back to top

নারীকে জনসম্পদে রূপান্তর ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয় : মীর হেলাল

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৫৮
[photo_card_and_fontsize]

দেশের প্রায় ৪ কোটি কর্মক্ষম মানুষ অর্থনীতির বাইরে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সোমবার (২ মার্চ) জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীকে জনসম্পদে রূপান্তর এবং তাদের প্রথাগত ও অপ্রথাগত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়া জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়। নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

অর্থনীতিতে নারী অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে হাঁস-মুরগি পালনসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এই অংশগ্রহণ আরও সম্প্রসারণ করা গেলে জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় নারীর উন্নয়নে কাজ করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র আমলে নারীদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়েছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচির আলোকে নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এর অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবারের প্রধান হিসেবে নারী এই কার্ড পাবেন। তালিকা প্রণয়নে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না এবং প্রশাসনের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

নিজের জীবনের সফলতার পেছনে মায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীরা নিরলস ত্যাগ স্বীকার করলেও অনেক সময় তারা প্রাপ্য স্বীকৃতি পান না। নারীর অধিকার কোনো করুণা নয়, এটি তাদের সাংবিধানিক অধিকার।

অনুষ্ঠানে চারজন সংগ্রামী ও সফল নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন) মো. নাজিমুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।