- চট্টগ্রামের নবগঠিত “ফটিকছড়ি উত্তর” উপজেলার সদর দপ্তরকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্র এবং জনভোগান্তি সৃষ্টিকারী হরতালের প্রতিবাদে ফটিকছড়ির ভূজপুরে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিকেলে উপজেলার কাজিরহাট বাজারে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে হারুয়ালছড়ি, ভূজপুর ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা বিক্ষোভ মিছিল ভুজপুরের কাজিরহাট বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে কাজিরহাট মাদ্রাসা মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, উপজেলা সদর দপ্তর অন্যত্র স্থানান্তরের অযৌক্তিক দাবির আড়ালে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের অর্থায়নে সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম নিকার-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে হরতালের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা প্রমাণ করেছে যে, তাদের মূল উদ্দেশ্য উপজেলা সদর প্রতিষ্ঠা নয়; বরং পরাজিত রাজনৈতিক শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা।
বক্তারা আরও বলেন, আইনের প্রতি অসম্মান এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে প্রশাসনের সহযোগিতায় তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে হরতালে নৈরাজ্যের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দ্রুত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণকাজ শুরু করার দাবি জানান তারা।
সমাবেশে বক্তব্য দেন হেফাজত নেতা মাওলানা জুনায়েদ বিন জালাল, ভূজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী শিপন ,মাহবুবুল আলম আজাদ, হারুয়ালছড়ি ইউপি প্রতিনিধি মাওলানা শাশুল আলম, নারায়ণহাট ইউপি প্রতিনিধি মুফতি মামুন বশর ভূঁইয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি ডা. আবুল কালাম রুবেল, বিএনপি নেতা জহির উদ্দিন বাবর, মাওলানা এমদাদ হাসান, হেফাজত নেতা মাওলানা আবু তালেব, মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মাওলানা আজগর সালেহী, শেখ ইব্রাহিম মেম্বার, মাওলানা মুহিবুল্লাহ আমিনী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ দিদু, মুহাম্মদ বখতিয়ার তালুকদার, মুহাম্মদ মুনছুর চৌধুরী, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, মাওলানা করিম, হানিফ সরদার, বাহার সরদার, মোজাহের মিয়া, জয়নাল আজহার, আবদুল হালিম বাচ্চু, শহিদুল আলম শহীদ, মীর নেজাম উদ্দিন, মোহাম্মদ মোনাফ, হাকিম রিজোয়ান বাদশা ও আবুল কাসেম প্রমুখ।
