চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন বলেছেন, যারা একসময় ফ্যামিলি কার্ডের বিরোধিতা করেছিলেন, এখন তারাই ওই কার্ড পাওয়ার জন্য বিএনপি নেতা-কর্মীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এমনকি ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও তদবির করছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরবাজারে বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট-আবুরহাট সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে নুরুল আমিন বলেন, ‘জামায়াতের এক এমপি গাজী নজরুল একটা মেয়েকে নিয়ে ধরা পড়েছেন। প্রথমে তারা বলেছিল, এটি এআই দিয়ে তৈরি ফেক ছবি। পরে যখন বিষয়টি আর ঢাকতে পারেনি, তখন তাকে বহিষ্কারের নাটক করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা যদি মনে-প্রাণে ইসলামকে বিশ্বাস করেন, তাহলে আপনাদের দলের এমপি গাজী নজরুল এর বিরুদ্ধে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা নিন। জনগণ তখন বুঝবে আপনাদের কথা ও কাজের মধ্যে মিল আছে। কিন্তু আপনারা তো কোনো শাস্তির ব্যবস্থা করলেন না।’
সড়ক উন্নয়নকাজ প্রসঙ্গে এমপি নুরুল আমিন বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট-আবুরহাট সড়কটি ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে সংস্কার করা হবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৪ কোটি টাকা।
ঠিকাদারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ক অর্ডারে যেভাবে বলা আছে, ঠিক সেভাবেই মানসম্মতভাবে সড়কের কাজ করতে হবে। আপনারা কাজ বুঝে নেবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেন কাজ শেষ হয়।’
সড়ক সংস্কারকাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজীর সভাপতিত্বে এবং বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সদস্য সচিব কমিশনার নিজাম উদ্দিন ও ধুম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মেজবাউল হক মানিকের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলিউল কবির ইকবাল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আবছার, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক মাঈন উদ্দিন লিটন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মাহমুদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা জমির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম লিটন ও কামরান সরোয়ার্দী।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাসুকুল আলম সোহান, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক গোলাম জাকারিয়া, ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক সোহাগ, রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ জিপসন, ধুম ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাইনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর ইসলাম ফারুক এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন টিটু।
